মুরারী গুপ্তের মন্দির নির্মাণে সিমেন্ট প্রদান করলো মৌলভীবাজার সনাতন ছাত্র মহাসংঘ
সিলেটের ওসমানীনগরের গুপ্তপাড়া ঐতিহাসিক মন্দিরে ১০ বস্তা সিমেন্ট উপহার দিয়ে সার্বিক নির্মাণকাজে পাশে দাঁড়ালো শিক্ষার্থীদের সংগঠন

নিজস্বপ্রতিবেদক:
ধর্মীয় ঐতিহ্য ও ঐতিহাসিক উপাসনালয়সমূহের অবকাঠামোগত নির্মাণ ও সংস্কার কার্যক্রমে আবারও দৃষ্টান্তমূলক ভূমিকা রাখলো ‘বাংলাদেশ সনাতন ছাত্র মহাসংঘ মৌলভীবাজার জেলা শাখা’। সিলেট জেলার ওসমানীনগর উপজেলার গুপ্তপাড়ায় অবস্থিত ঐতিহাসিক শ্রী শ্রী মুরারী গুপ্তের মন্দিরের নির্মাণকাজকে ত্বরান্বিত করতে সংগঠনটির পক্ষ থেকে ১০ (দশ) বস্তা সিমেন্ট উপহার স্বরূপ প্রদান করা হয়েছে।
ঐতিহাসিক উপাসনালয় নির্মাণে অনুদান
ছবিতে দৃশ্যমান রসিদ ও রিলিজ সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশ সনাতন ছাত্র মহাসংঘের মৌলভীবাজার জেলা শাখার পক্ষ থেকে সিলেট ওসমানীনগর গুপ্তপাড়া মুরারী গুপ্তের মন্দিরে আনুষ্ঠানিকভাবে এই নির্মাণসামগ্রী প্রদান করা হয়। ঐতিহ্যবাহী এই মন্দিরের সার্বিক সংস্কার ও পুনর্নির্মাণে শিক্ষার্থীদের এই উপহার বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন স্থানীয় মন্দির পরিচালনা কমিটি ও এলাকাবাসী।
ছাত্র সমাজের সামাজিক ও ধর্মীয় দায়বদ্ধতা
“আমরা সমাজ, ধর্ম ও সংস্কৃতির উন্নয়নে অঙ্গীকারবদ্ধ”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বাংলাদেশ সনাতন ছাত্র মহাসংঘ দীর্ঘদিন ধরে নানা সামাজিক ও ধর্মীয় কল্যাণমূলক কাজ পরিচালনা করে আসছে। কেবল শিক্ষার অঙ্গনেই নয়, বিভিন্ন ধর্মীয় ঐতিহ্যের সুরক্ষা এবং উপাসনালয়গুলোর ভৌত অবকাঠামো উন্নয়নেও তরুণ প্রজন্মের এমন সক্রিয় অংশগ্রহণ শিক্ষা ও সুশীল অঙ্গনে দারুণভাবে প্রশংসিত হচ্ছে।
স্থানীয়দের আনন্দ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ
ওসমানীনগরের স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বী ও মন্দির পরিচালনা কমিটির পক্ষ থেকে মৌলভীবাজার জেলা সনাতন ছাত্র মহাসংঘের উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করা হয়। তারা জানান, শিক্ষার্থীদের হাত ধরে এভাবে ঐতিহাসিক শ্রী শ্রী মুরারী গুপ্তের মন্দিরের মতো পবিত্র স্থানের পাশে এসে দাঁড়ানো তরুণদের দায়িত্বশীল মনোভাবের পরিচয় দেয়। তাদের এই মহতী উদ্যোগ অন্যান্য সামাজিক ও ছাত্র সংগঠনগুলোকেও জনকল্যাণমূলক কাজে উদ্বুদ্ধ করবে।
ভবিষ্যৎ পথচলার প্রত্যয়
বাংলাদেশ সনাতন ছাত্র মহাসংঘ মৌলভীবাজার জেলা শাখার প্রতিনিধিরা জানান, সিলেটের প্রাচীন ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় ঐতিহ্য রক্ষায় তারা সবসময় কাজ করে যেতে চান। ভবিষ্যতেও যেকোনো ধর্মীয় উপাসনালয়ের উন্নয়ন ও শিক্ষার্থীদের কল্যাণে তাদের এই সেবামূলক ধারা অব্যাহত থাকবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।



