Cyber Security
Trending

ব্যাকবেঞ্চার হেঁদুরা কীভাবে দলে দলে সরকারি চাকরি পাচ্ছে, যেখানে লক্ষ লক্ষ সংখ্যাগুরু মেধাবী ছাত্র বেকার? বাংলাদেশে হেঁদুদের গুরুত্বপূর্ণ সব দায়িত্বে বসানো হয়েছে এবং এই প্রক্রিয়া এখনও চলছে। দেশের মোট জনসংখ্যার মাত্র ৮% হেঁদু হলেও সরকারি চাকরিতে অলরেডি এদের সংখ্যা ২৫-৩০% পার্সেন্টের বেশি! বাঙ্গোবাম, তথা ভারতের এজেন্টরা হয়তো এখানে এসে ওকালতি করবে যে তারা মেধার পরীক্ষা দিয়ে টিকেছে, কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। আপনার নিজের ছাত্রজীবনের কথা একটু মনে করে দেখুন। আপনার স্কুল, কলেজ বা ইউনিভার্সিটির ক্লাসে কতজন হেঁদু ছাত্র ছিল এবং তাদের মধ্যে কয়জন টপ স্টুডেন্ট ছিল? আমরা একটি বড় জরিপ চালিয়ে দেখেছি, যেখানে ৯৬% মানুষ স্পষ্ট বলেছে, তাদের ক্লাসে হেঁদুরা কখনোই টপ রেজাল্ট করা প্রথম সারির ছাত্র ছিল না। কিন্তু আজ বাস্তব চিত্রটা দেখুন! ক্লাসের সেইসব সাধারণ বা মোটামুটি মানের হেঁদু ছাত্ররা আজ প্রত্যেকেই কোনো না কোনো বড় সরকারি চাকরি বাগিয়ে নিয়েছে! অপরদিকে ক্লাসের ফার্স্ট বয় বা টপ লেভেলের লক্ষ লক্ষ ছাত্র আজও হন্যে হয়ে একটা চাকরির জন্য ঘুরছে, কিন্তু পায়নি। এর পেছনের আসল রহস্যটা কী? এর পেছনে রয়েছে ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা (RAW) এবং এ দেশের প্রশাসনের উচ্চপদস্থ হেঁদু কর্মকর্তাদের একটি সুগভীর সিন্ডিকেট। এরা গত ১০-২০ বছর ধরে নয়, বিশেষ করে ১৯৭১ সাল থেকেই এই নীল নকশা বাস্তবায়ন করে আসছে। এরা যা করে তা অত্যন্ত পরিষ্কার: সাধারণ বা ব্যাকবেঞ্চার হেঁদু ছাত্রদের ব্যাকডোর দিয়ে এক্সট্রা ফ্যাসিলিটি দেওয়া। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ভাইভায় অনৈতিকভাবে এক্সট্রা মার্কস নিশ্চিত করা। বিসিএস, পুলিশ, সেনাবাহিনীসহ রাষ্ট্রের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল সরকারি চাকরির পরীক্ষার প্রশ্নপত্র আগেভাগেই এদের হাতে পৌঁছে দেওয়া হয়। এই প্রাতিষ্ঠানিক বৈষম্য ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে আমাদের এখনই তীব্রভাবে সোচ্চার হতে হবে। দেশের স্বাধীনতা ও মেধার সুরক্ষায় এই গোপন সত্যটি সমাজের প্রতিটি সাধারণ ও সচেতন মানুষের কাছে পৌঁছে দিন! সরকারের উচিত বিষয়টি গভীরভাবে খতিয়ে দেখা। নিজের দেশে প্রায় দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক হয়ে আছে বৃহত্তর জনগোষ্ঠী।

বাংলাদেশে হেঁদুদের গুরুত্বপূর্ণ সব দায়িত্বে বসানো হয়েছে এবং এই প্রক্রিয়া এখনও চলছে। হেঁদুদের গুরুত্বপূর্ণ সব দায়িত্বে বসানো হয়েছে এবং এই প্রক্রিয়া এখনও চলছে।

ব্যাকবেঞ্চার হেঁদুরা কীভাবে দলে দলে সরকারি চাকরি পাচ্ছে, যেখানে লক্ষ লক্ষ সংখ্যাগুরু মেধাবী ছাত্র বেকার?

বাংলাদেশে হেঁদুদের গুরুত্বপূর্ণ সব দায়িত্বে বসানো হয়েছে এবং এই প্রক্রিয়া এখনও চলছে।

দেশের মোট জনসংখ্যার মাত্র ৮% হেঁদু হলেও সরকারি চাকরিতে অলরেডি এদের সংখ্যা ২৫-৩০% পার্সেন্টের বেশি! বাঙ্গোবাম, তথা ভারতের এজেন্টরা হয়তো এখানে এসে ওকালতি করবে যে তারা মেধার পরীক্ষা দিয়ে টিকেছে, কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন।

আপনার নিজের ছাত্রজীবনের কথা একটু মনে করে দেখুন। আপনার স্কুল, কলেজ বা ইউনিভার্সিটির ক্লাসে কতজন হেঁদু ছাত্র ছিল এবং তাদের মধ্যে কয়জন টপ স্টুডেন্ট ছিল? আমরা একটি বড় জরিপ চালিয়ে দেখেছি, যেখানে ৯৬% মানুষ স্পষ্ট বলেছে, তাদের ক্লাসে হেঁদুরা কখনোই টপ রেজাল্ট করা প্রথম সারির ছাত্র ছিল না।

কিন্তু আজ বাস্তব চিত্রটা দেখুন! ক্লাসের সেইসব সাধারণ বা মোটামুটি মানের হেঁদু ছাত্ররা আজ প্রত্যেকেই কোনো না কোনো বড় সরকারি চাকরি বাগিয়ে নিয়েছে! অপরদিকে ক্লাসের ফার্স্ট বয় বা টপ লেভেলের লক্ষ লক্ষ ছাত্র আজও হন্যে হয়ে একটা চাকরির জন্য ঘুরছে, কিন্তু পায়নি।

এর পেছনের আসল রহস্যটা কী?
এর পেছনে রয়েছে ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা (RAW) এবং এ দেশের প্রশাসনের উচ্চপদস্থ হেঁদু কর্মকর্তাদের একটি সুগভীর সিন্ডিকেট। এরা গত ১০-২০ বছর ধরে নয়, বিশেষ করে ১৯৭১ সাল থেকেই এই নীল নকশা বাস্তবায়ন করে আসছে। এরা যা করে তা অত্যন্ত পরিষ্কার:

সাধারণ বা ব্যাকবেঞ্চার হেঁদু ছাত্রদের ব্যাকডোর দিয়ে এক্সট্রা ফ্যাসিলিটি দেওয়া।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ভাইভায় অনৈতিকভাবে এক্সট্রা মার্কস নিশ্চিত করা।

বিসিএস, পুলিশ, সেনাবাহিনীসহ রাষ্ট্রের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল সরকারি চাকরির পরীক্ষার প্রশ্নপত্র আগেভাগেই এদের হাতে পৌঁছে দেওয়া হয়।

এই প্রাতিষ্ঠানিক বৈষম্য ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে আমাদের এখনই তীব্রভাবে সোচ্চার হতে হবে। দেশের স্বাধীনতা ও মেধার সুরক্ষায় এই গোপন সত্যটি সমাজের প্রতিটি সাধারণ ও সচেতন মানুষের কাছে পৌঁছে দিন!

সরকারের উচিত বিষয়টি গভীরভাবে খতিয়ে দেখা। নিজের দেশে প্রায় দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক হয়ে আছে বৃহত্তর জনগোষ্ঠী।

Hendrik Chowdhury

I am a Senior News Reporter and journalist specializing in breaking news, current affairs, and in-depth reporting. A graduate of the Department of Mass Communication and Journalism at the University of Dhaka, I am dedicated to delivering accurate, balanced, and impactful journalism. My work focuses on providing readers with reliable information, insightful analysis, and comprehensive coverage of national and international events. 📩 hendrikchowdhury@gmail.com

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button